Thursday, 16 August 2018


তদন্ত প্রতিবেদন পেলেই কয়লা কেলেঙ্কারির হোতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ঢাকা,৮আগস্ট,ফোকাস বাংলা নিউজ:অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বড়পকুরিয়া কয়লা কেলেঙ্কারির হোতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আগামী সপ্তাহে ওই তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বুধবার (৮ আগস্ট) নিজ দফতরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী এলএনজি আমাদনি, মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনির পাথরসহ ভারতীয় কোম্পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির দুর্নীতি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অধিকতর তদন্ত করতে একটি কমিটি গঠন করেছে।ওই কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর অভিযুক্তদের চিহ্নত করা সম্ভব হবে। দাফতরিকভাবে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা তদন্ত প্রতিবেদনও প্রকাশ করবো। দুর্নীতি মুক্ত একটি জ্বালনি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই।এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বড়পুকুরিয়ায় উন্মুক্ত খনন করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।এক্ষেত্রে পুনর্বাসন, খনির পানি ব্যবস্থাপনা কঠিন বিষয়। একইসঙ্গে সরকার বেশি কয়লাও উত্তোলন করতে চাইছে। দুই দিকে সমন্বয় করেই বড়পুকুরিয়াতে উন্মুক্ত খনি করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।মধ্যপাড়া কঠিন শিলার খনির পাথর গায়েবের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও অভিযোগ পাইনি। একটি নীরিক্ষা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই অভিযোগ এসেছে। আমরা চাই সব ক্ষেত্রে এমন নীরিক্ষা হোক।এলএনজি আমদানি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৯ আগস্টের পর যেকোনও দিন এলএনজি আসবে। তবে এখনও তিনি নির্দিষ্ট করে ঠিক কোন দিন এলএনজি আসবে তা বলেননি। কেন আসছে না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বৈরী আবহাওয়া এবং পাইপ লাইনে সমস্যার কারণে এলএনজি আসতে দেরি হচ্ছে। বছরের শেষ নাগাদ নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে বলে আশা করি।গ্যাসের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন,আশা করি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কোনও হঠকারি সিদ্ধান্ত নেবে না। গ্যাসের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা হবে। প্রসঙ্গত, বিইআরসির কর্মকর্তারা বলছেন, গ্যাসের দাম ৩০-৩৫ ভাড়া বাড়বে। যদিও ক্ষেত্রে সরকারকে অন্তত তিন হাজার কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা দিতে হবে। তবে সরকার এই সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি করলে গ্যাসের দাম আরও কম বৃদ্ধি করলেও চলবে।রিল্যায়েন্সের বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে তিনি বলেন, রিল্যায়েন্স বিভিন্ন সময়ে তাদের পরিকল্পায় পরিবর্তন আনছে। তারা একবার বলছে নিজেরাই এলএনজি আমদানি করবে। আবার বলছে আমাদের গ্যাস দিতে হবে। আমাদের গ্যসের ঘাটতি রয়েছে। আমরা তাদের সঙ্গে গ্যাস প্রদান চুক্তি সই করার পর গ্যাস না দিতে পারলে জরিমানা (এলডি) দিতে হবে। সব কিছু মিলিয়ে রিল্যায়েন্সের কাজ শুরু করতে দেরি হচ্ছে।
প্রতিবেদক/জিএম/ফোকাস বাংলা/১৫২৭ ঘ.

ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেন কিনে নিচ্ছে সরকার
তদন্ত প্রতিবেদন পেলেই কয়লা কেলেঙ্কারির হোতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা