Thursday, 16 August 2018


ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদার জামিন ১৩ আগস্ট পর্যন্ত বাড়লো

ঢাকা,৮আগস্ট,ফোকাস বাংলা নিউজ:জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদন্ড নিয়ে কারাগারে বন্দি খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ আগামী ১৩ আগস্ট পর্যন্ত বাড়িয়েছেন হাইকোর্ট। এ নিয়ে এই মামলায় পঞ্চমবারের মতো তার জামিনের মেয়াদ বাড়নো হলো।একই সঙ্গে তার জামিন আদেশের বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের শুনানি আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) পর্যন্ত শুনানি মুলতবি রেখেছেন আদালত।বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান ও এজে মোহাম্মদ আলী। তাদের সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোরশেদ। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম।শুনানির সময় খালেদা জিয়ার পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, জয়নুল আবেদীন, আমিনুল ইসলাম, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, বদরোদ্দোজা বাদল, কায়সার কামাল, রাগীব রউফ চৌধুরী, ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, মো. ফারুক হোসেন, আনিছুর রহমান খান, আইয়ুব আলী আশরাফী, মির্জা আল মাহমুদ, সালমা সুলতানা সোমা, ব্যারিস্টার এম. আতিকুর রহমান, এহসানুর রহমান ও ফাইয়াজ জিবরান প্রমুখ। মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের পাঁচ মাসের মাথায় গত ১২ জুলাই হাইকোর্টে করা এ আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়।এই মামলায় গত ৮ ফেব্র“য়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও অর্থদন্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেন বিচারিক আদালত। এরপর থেকে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন তিনি।ওই সাজার বিরুদ্ধে আপিল করে জামিন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট থেকে চার মাসের জামিন পান তিনি, যা আপিল বিভাগে বহাল থাকে। ওই জামিনের মেয়াদ বাড়াতে করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১২ জুলাই খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ ১৯ জুলাই পর্যন্ত বৃদ্ধি করেন হাইকোর্ট। এরপর ২৬ জুলাই পর্যন্ত জামিন বাড়ানো হয়, আবার জামিনের মেয়াদ বাড়িয়ে ৩১ জুলাই করা হয়। আবারও তার জামিনের মেয়াদ ৮ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এখন আগামী ১৩ আগস্ট পর্যন্ত জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হলো। তবে অন্য মামলা থাকায় তিনি কারামুক্তি পাননি।খালেদা জিয়াকে ১২ মার্চ হাইকোর্টের দেয়া চার মাসের জামিনের বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। দন্ডের রায় ঘোষণার ১১ দিন পর গত ১৯ ফেব্র“য়ারি বিকেলে রায়ের সার্টিফায়েড কপি বা অনুলিপি হাতে পান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এরপর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ২০ ফেব্র“য়ারি তারা ওই আবেদন করেন। ২২ ফেব্র“য়ারি সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ এবং অর্থদন্ড স্থগিত করে নথি তলব করা হয়। এরপর ৭ মার্চ অপর আসামি মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামালের আপিলও শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। পরে ২৮ মার্চ খালেদার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে দুদকের করা আবেদনে রুল দেন হাইকোর্ট। ১০ মে আরেক আসামি শরফুদ্দিনের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন আদালত। এখন তিন আসামির আপিল ও দুদকের আবেদনের রুল এই আদালতে শুনানি হচ্ছে।
প্রতিবেদক/জিএম/ফোকাস বাংলা/১৪৫০ ঘ.

ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেন কিনে নিচ্ছে সরকার
তদন্ত প্রতিবেদন পেলেই কয়লা কেলেঙ্কারির হোতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা